২৯শে আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৪ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং

ভাঙ্গায় ক্লিনিকে সিজার অপারেশনে রক্তক্ষরণ হয়ে প্রসূতীর মৃত্যু

News

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তুলি ক্লিনিক এন্ড ডায়গনষ্টিক সেন্টারে সিজার অপারেশন করার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে এক প্রসূতীর মৃত্যু হয়েছে। প্রসূতীর অপারেশনের পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে শনিবার সন্ধা সোয়া ৭ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ভাঙ্গা পৌর সদরের আতাদি গ্রামের ফারুক হোসেনের স্ত্রী শনিবার সকালে ভাঙ্গা উপজেলার তুলি ক্লিনিক এন্ড ডায়গনষ্টিক সেন্টারে ভর্তি হয়। ফারুক হোসেনের স্ত্রী রোজিনা (৩৫) কে সিজার অপারেশন করার এক পর্যায়ে তার রক্তক্ষরণ হতে থাকে। ওই অবস্থায় তাকে এক ব্যাগ রক্ত দেয়া হলে প্রসূতী রোজিনা মারাত্বক অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে আশংকাজনক অবস্থায় শনিবার দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎাসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত সোয়া ৭ টার দিকে রোজিনার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় রোজিনার শ্বশুর চাঁন মিয়া বলেন, শনিবার সকালে তুলি হাসপাতালে ভর্তির পর প্রসূতী রোজিনাকে সিজার অপারেশন করেন। এতে রোজনা রক্তক্ষরন হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শনিবার রাত সোয়া ৭ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। অভিযোগ রয়েছে এর আগেও কয়েকজন রোগী মৃত্যুর ঘটনায় টাকার বিনিময়ে মিমাংশা করেছেন এই মাসুদ মিয়া। অভিযোগ রয়েছে গত ৫ বছরে এ ক্লিনিক থেকে সিজার অপারেশনের ৬ থেকে ৭ জন প্রসূতীর মৃত্যু হয়েছে। এ ব্যাপারে তুলি ক্লিনিকের মালিক মাসুদ মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, আমার হাসপাতালের ডাঃ আকবর প্রসূতী রোজিনার সিজার অপারেশন করেন। আর অ্যনেস্থিশিষ্ট ছিলেন ডাঃ আলামিন। মূলত রোগীর সিজার অপারেশন করার পর পিপিআর হয়। এতে প্রসূতীর ব্লিডিং হচ্ছিল। কোন মতেই ব্লিডিং বন্ধ হচ্ছিল না। আমরা সেখান থেকে এক ব্যাগ রক্ত দিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাই। সেখানে রোগীকে আরও ৬ থেকে ৭ ব্যাগ রক্ত দেয়া হয়। তারপরও রোগীকে বাঁচানো যায়নি।

     এ জাতীয় আরো সংবাদ

ফেজবুকে আমরা