২৯শে আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৪ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং

আবরার ফাহাদ হত্যায় গ্রেফতার হওয়া মেহেদী হাসানের বাড়ি ফরিদপুরের সালথায়

News

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যায় গ্রেফতার হওয়া বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান (রাসেল) এর গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রাঙ্গারদিয়া গ্রামে। সে ওই গ্রামের সাবেক সেনা সদস্য রুহুল আমিনের বড় ছেলে। রুহুল আমিনের চার সন্তানের মধ্যে মেহেদী হাসান রাসেল সবার বড়। ১৯৯৬ সালে রাসেলের জন্ম। রাসেলের ছোট বোন জান্নাতী মীম গোপালগজ্ঞের বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় লেখাপড়া করে। আর এক ছোট বোন গ্রামের বাড়িতে যোগারদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী আর সব ছোট ভাই একই স্কুলের ৭ম শ্রেনীর ছাত্র। বাবা রুহুল আমিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ওয়ারেন্ট অফিসার ছিলেন। বাবার চাকরীর করার সুবাধে ছেলে মেহেদী হাসান রাসেল দেশের বিভিন্ন স্কুল কলেজে লেখাপড়া করেছেন। রাসেল রংপুরের একটি স্কুল থেকে এসএসসি ও ময়মনসিংহ সৈয়দ নজরুল কলেজ থেকে এইস এসসি পাস করে। এসএসসি ও এইস এসসিতে জিপিএ- ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। পরে ২০১৩ সালে বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় পাস করে ভর্তি হয়। রাসেলের বাবা রুহুল আমিন ২০০৮ সালে ময়মনসিহ থেকে অবসরে যান বলে জানা যায়। ছেলে সম্পর্কে রাসেলের বাবা রুহুল আমিন বলেন, সামান্য বেতনে চাকরী করে ছেলেকে বুয়েটে ভর্তি করাতে পেরেছিলাম বলে আমি নিজেকে অনেক ধন্য মনে করছিলাম। মাঝ পথে এসে এমন একটা দূর্ঘটনার শিকার হবে এটা আমার অপ্রত্যাশিত । তিনি বলেন, ছোট বেলা থেকে আমার ছেলেকে আমি চিনি সে এই ধরনের কাজ করতে পারে না। রাসেলের মা ঝর্না বেগম কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমার ছেলে ষড়যন্ত্রের স্বীকার। সিসি টিভির ফুটেজে দেখেছি তাতে আমার ছেলেকে দেখা যায়নি। আমার ছেলে কাউকে হত্যার করার সাথে জড়িত থাকতে পারে এটা আমি বিশ্বাস করতে পারি না। উল্লেখ্য গত রবিবার রাতে বুয়েটের আবাসিক হল থেকে বেদম প্রহরে আবরার ফাহাদের মৃত্যু হয়। বিশ্ববিদ্যায়ের শেরে বাংলা হলের নীচতলা ও দ্বীতিয় তলার সিড়ির কোরডোর থেকে তার লাশ উদ্বার করে পুলিশ। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকটিক্যাল এ্যান্ড ইলেট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং এর দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরে বাংলা হলের ১০১১ নন্বার কক্ষে থাকতেন।

     এ জাতীয় আরো সংবাদ

ফেজবুকে আমরা